আহতরা হলেন, শাহমখদুম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, ছাত্রলীগকর্মী সেলিম, জনি ও পারভেজ। এদের মধ্যে পারভেজ ব্যান্ডেজ করিয়ে চলে গেছেন। বাকি তিনজনকে হাসপাতালের আট নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
নগরীর শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শাহমখদুম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদের পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
ওসি জিল্লুর রহমান আরও বলেন, ‘সকালে শাহমখদুম থানা এলাকার বরেন্দ্র সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি অনুষ্ঠান ছিল। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে ছাত্রনেতা মাসুদকে অতিথি করা হয়নি। এই ঘটনার জের ধরে অনুষ্ঠানের পরে নগরীর নওদাপাড়া এলাকায় অবস্থিত জিয়া পার্কের সামনে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে। আহত ছাত্রনেতাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ নিয়ে অভিযোগ হলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শাহদুম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলেন, 'নবীনবরণ অনুষ্ঠানে মাসুদকে অতিথি না করায় সে আমার কর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ায়। আমি থামাতে গেলে আমার ওপরও চড়াও হয় মাসুদ।'
তবে শাহদুম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ বলেন, 'আদিপত্য বিস্তারের জন্য সকাল থেকেই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ঝগড়া বাধানোর চেষ্টা করছিল জহুরুল, তার দুই ভাই রুহুল ও রঙ্গিলা। আমাকে জহুরুল ও তার দুই ভাই মারার জন্য মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যেতে চায়। এসময় করে আমার ছোট ভাইয়েরা বাধা দেয়।'