সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আকরামুজ্জামান জানান, শরীরের অধিকাংশই আগুনে পুড়ে গিয়েছিল সোনিয়ার। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানোর আগেই তিনি মারা যান।
এনায়েতপুর থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম জানান,মঙ্গলবার রাতে তার মা নুরুন নাহার থানায় একটি মামলা করেছেন। লাশ উদ্ধার ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জাহাঙ্গীর পলাতক।
স্বজন ও মামলার বরাত দিয়ে ওসি আর জানান, পারিবারিক কলহের জেরে সোনিয়ার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন। অগ্নিদগ্ধ সোনিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে এনায়েতপুর খাজা ইউনুছ আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
প্রায় ৫ বছর আগে গোপালপুর বাজারের তাঁত শ্রমিক জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে একই থানার রূপনাই চড়কাদহ গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে সোনিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে অসংখ্যবার দেন-দরবারও হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে জাহাঙ্গীর কৌশলে তার স্ত্রীকে এনায়েতপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার পাশের গলিতে ডেকে নিয়ে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। তখন সোনিয়ার চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে।