এর আগে রাবি ক্যাম্পাসে এক সাংবাদিককে পেটানোর দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন রাবি ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতাজ উদ্দিন কলাভবনের সামনে মইনুলসহ কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় কানন ও কলা অনুষদ ছাত্রলীগের নেতা ঝলকসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে তাদেরকে উঠে যেতে বলেন। এসময় মইনুল সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ঝলক ও কানন মইনুলকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে মইনুল মাথা ও চোখে প্রচণ্ড আঘাত পায়। পরে মইনুলের কয়েকজন বন্ধু তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযুক্ত মাহমুদুর রহমান কানন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সন্ধ্যায় শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি ঝলকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। সেখানে গিয়ে কী হয়েছে তা নিয়ে কথা বলতে মইনুলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পরপরই আমরা কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি মইনুলের অসুস্থতার খোঁজ নিতে এবং তার ভাষ্য নিতে। আমরা কাননের সঙ্গেও কথা বলেছি। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সাংগঠনিকভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি শুনেছি। মইনুলের অবস্থা স্বাভাবিক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’
এ বিষয়ে অনুশীলন নাট্যদলের উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পরপরই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমরা একটু অপেক্ষা করবো। যদি তেমন ফলাফল না দেখি তাহলে আমরা আমাদের মতো আন্দোলনে যাবো।’