বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরীর কাটাখালী থানার সাব-ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম। তিনি জানান, সম্প্রতি অধ্যক্ষ রিপনের বিরুদ্ধে তার প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রী ও এক নারী শিক্ষককে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন এলাকাবাসী। এলাকায় এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এলাকার জনগণ পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। সম্প্রতি এক ছাত্রীর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। পাশাপাশি কাপাসিয়া মহানগর টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি ও পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবিরের কাছে একটি অভিযোগও দেওয়া হয়।
পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে বিকালে মিটিং হওয়ার কথা ছিল। তিনি অধ্যক্ষসহ কমিটির সদস্যদের ডাকেন। তবে অধ্যক্ষ জহুরুল হক রিপনকে আটকের সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। এই অধ্যক্ষ দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্র করে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা ও অপহরণের মামলা দিয়েছে।