মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিঠুন সরকার এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, আল-সান হাসপাতালের মালিক বাবলুর বিরুদ্ধে নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রয়েছে। ধর্ষণ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অন্যান্য বেশকিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এগুলো নিয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। সে কারণেই আদালতে তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। বাবলুর বিরুদ্ধে পাওয়া অন্যান্য তথ্যগুলো তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
এসআই মিঠুন জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে বাবলুকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আল-সান হাসপাতালের এক নার্সকে ধর্ষণ করে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে বাবলু। এরপর ওই ভিডিও দেখিয়ে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করতে বাধ্য করা হয় ওই নার্সকে। গত ৭ এপ্রিল ফের তাকে ধর্ষণ করতে চাওয়ায় অসম্মতি জানালে বাবলু তাকে শায়েস্তা করতে থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে পুলিশের সন্দেহ হলে ওই নার্সের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসে। এ সময় বাবলুর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নার্স।