রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চ’ আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা একথা জানান।
সমাবেশে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এএফএম মাসউদ আখতার বলেন, ‘সমাজে এক ধরনের উগ্রপন্থী যুব সমাজ তৈরি হয়েছে, যারা হত্যার মতো বর্বর কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তবে আমাদের শিক্ষার্থীদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে আমরা প্রচেষ্টা চালাবো। এ লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’ এসময় তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ‘হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। তবে সুষ্ঠু বিচার না পেলে, আমরা আবার আন্দোলনে যাবো। কিন্তু এ আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয়, ন্যায্য বিচারের জন্য।’
এর আগে শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে থেকে মৌন মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মুকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। এসময় বিভাগের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল সকালে রাজশাহীর শালবাগান এলাকায় নিজের বাড়ির পাশে গলাকেটে হত্যা করা হয় ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে। ওইদিন তার ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ বাদী হয়ে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেন। একই বছরের ৬ নভেম্বর ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক।