বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় অপহৃত কলেজছাত্রী ছানিয়া আকতার (১৬) ১৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি। ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি বলে স্বজনদের অভিযোগ।
মেয়েটির চাচা শামছুল আলম ৩০ জুন শাজাহানপুর থানায় মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছ, ছানিয়া আকতার শাজাহানপুর উপজেলার গন্ডগ্রাম দক্ষিণপাড়ার ট্রাক শ্রমিক আবদুল মান্নানের মেয়ে। সে হাজী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন কমার্স কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ২৮ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই গ্রামের চাচা শামছুল আলমের বাড়িতে যাওয়ার সময় সে নিখোঁজ হয়। একই গ্রামের ফিড ব্যবসায়ী রুবেল আগা খানের ছেলে মারুফ খান তাকে অপহরণ করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। মামলায় মারুফ খান ও তার বাবা রুবেলসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করা হয়।
মেয়েটির চাচা শামছুল আলম অভিযোগ করেন, অন্যদের সহযোগিতায় মারুফ খান তার ভাতিজি ছানিয়াকে অপহরণ করেছে। মারুফের লোকজন মীমাংসার জন্য তাকে সাবেক ইউপি সদস্য মিলনের অফিসে ডেকে নিয়ে মারধরও করেছে। বুধবার বিকাল পর্যন্ত ১৩ দিনে পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার ও ভাতিজিকে উদ্ধার করতে পারেনি।
শামছুল আলম দাবি করেন, থানা থেকে মামলা তুলে নিতে তাকে নানাভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। মেয়ের শোকে তার বাবা-মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শামছুল আলম এ ব্যাপারে পুলিশের অবহেলাকে দায়ী করে অবিলম্বে ভাতিজি কলেজছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাম জীবন জানান, আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার ও ছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া মামলা তুলে নিতে কাউকে হুমকি দেওয়া হয়নি।