কাবিলের বাবা গিয়াস উদ্দিন বেপারি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ছোট বেলায় কাবিলের পায়ে একটি দাগ হয়। পোকামাকড় কামড় দিয়েছে ভেবে গুরুত্ব দেইনি। আস্তে আস্তে শরীরে চাকার মতো পচন ধরে বিস্তার লাভ করতে থাকে। অভাবের সংসার, তারপরও কিছুদিন চিকিৎসা করাই। কিন্তু কোনও উন্নতি হয়নি। সামর্থ না থাকায় চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছি।’
কাবিল জানায়, তাকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু রোগের কারণে সহপাঠীরা তাকে এড়িয়ে চলতো। শিক্ষকরা তাকে আলাদা বসতে দিতেন। তাই পরিবার থেকে লেখাপড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। সুস্থ হয়ে সে লেখাপড়া শিখতে চায়।
বগুড়া সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘আমি এমন রোগী কখনও দেখিনি। উন্নত চিকিৎসা করা গেলে কাবিল সুস্থ হতে পারে।’
কাবিলের বাবা গিয়াস উদ্দিন বেপারির সোনাতলায় যমুনা নদীর চরে বাড়ি ও আবাদি জমি ছিল। কিন্তু যমুনার ভাঙনে সব শেষ হয়ে গেছে। পরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে পরিবার নিয়ে আশ্রয় নেন। তার দুই মেয়ে ও একমাত্র ছেলে কাবিলকে নিয়ে তার সংসার।