মারধরের শিকার আলমগীর হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ধরমপুর এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, বেলা চারটার দিকে টুকিটাকি চত্বরে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজসহ কয়েকজনের সঙ্গে স্থানীয় যুবক আলমগীরের কথা কাটাকটি চলছিল। কথা কাটাটির একপর্যায়ে সাদ্দাম আলমগীরকে চড় মারে। এরপর ইমতিয়াজও তাকে চড় মারে। পরে রাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফ করিম রুপমসহ কয়েকজন তাদের ডেকে এনে মীমাংসার চেষ্টা করে। আলমগীর মহানগর যুবলীগের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলমের সঙ্গে টুকিটাকিতে এসেছিলেন।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে নগর যুবলীগের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, ‘আলমগীর আমার সঙ্গে ক্যাম্পাসে গিয়েছিল। আমরা টুকিটাকিতে বসে খাওয়া-দাওয়া করছিলাম। এসময় সাদ্দামসহ কয়েকজন এসে আমাকে বলে যে ভাই আপনার ছোট ভায়ের (আলমগীর) ব্যবহার খারাপ, উগ্র। আমি বললাম আলগমীর তো সারাক্ষণ আমার সঙ্গে ছিল, কখন খারাপ ব্যবহার করলো। একথা বলতে বলতে তারা আলমগীরকে চড়-থাপ্পড় দেয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আলমগীর খুবই সাধারণ একটা ছেলে। কী কারণে সাদ্দাম এরকম করলো সে সম্পর্কে আমি অবগত নই। হয়তো পূর্ব শত্রুতা থাকতে পারে।’
জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন মারধরে বিষয়টি অস্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চড়-থাপ্পড়ের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আলমগীর একজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেছিল। তাই তাকে নিষেধ করা হয়েছে।’