এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আজকের নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিপন্ন গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা যেভাবে ভোট ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল তাতে সাধারণ মানুষের অধিকার আজ বিপন্ন। নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নীলনকশার বাস্তবায়ন এই নির্বাচন।’
নগরীর উপশহর স্যাটেলাইট স্কুলে সকাল ৮টায় ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি ও তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট তোফাজ্জল হোসেন তপু ভোট দেননি।
এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়াসহ ভোট চুরির অভিযোগ এনে বুলবুল বলেন,‘এ বিপন্ন গণতন্ত্রে আমার পোলিং এজেন্টরা যেখানে ভোট দিতে পারেনি, সেখানে আমার ভোট দিয়ে কি লাভ? এই নির্বাচন একটা নীলনকশা।’
ইসলামীয়া কলেজ কেন্দ্র নিয়ে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এই কেন্দ্রে মেয়র পদে কোনও ব্যালট ছিল না।’
তবে বুলবুলের অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-হেল শাফি বলেছেন, ‘এটা ভুল বুঝাবুঝি। আমরা বিএনপি নেতাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।’
তবে নির্বাচনের ব্যাপারে বুলবুলের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট তোফাজ্জল হোসেন তপু বলেন, ‘এটা প্রহসনের নির্বাচন। এই ভোটের দাম নাই। ভোট দিয়ে কী করবো? সব জায়গায় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছে।’