নবজাতকের বাবা শাকিল আহম্মেদ জানান, তিনি তার স্ত্রী মুক্তা বেগমকে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পদ্মা ক্লিনিকে ভর্তি করেন। ভর্তি শেষে সিজার করার জন্য ওষুধপত্র কিনে দেওয়া হয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু ক্লিনিকের ডা. মো. খাইরুল ইসলাম সিজার না করে প্রায় ৩ ঘণ্টা সময়ক্ষেপণ করেন। আর এ কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নবজাতকের আত্মীয়-স্বজন উত্তেজিত হলে ক্লিনিকের ম্যানেজার, চিকিৎসক ডা. মো. খাইরুল ইসলাম ও নার্সরা পালিয়ে যায়।
তবে ক্লিনিকের নার্স মরিয়ম খাতুন জানান, অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ওজন বেশি হওয়ার কারণে অজ্ঞান ছাড়া সিজার করা যাচ্ছিল না। আর এ সময়ের মধ্যে তিনি মৃত বাচ্চা প্রসব করেন।
ওসি জানান, এ ঘটনায় নবজাতকের বাবা মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে।