দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গোমস্তাপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামের দবির, একই গ্রামের হামেদ আলী, রুমেদ, আকালু এবং এরফান আলী টিপু। আসামি হামেদ আলী এবং রুমেদ পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জমিজমা ও পুকুরের মাছ মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাকিমের সঙ্গে দবির পক্ষের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাগলপুর এলাকার একটি কুল বাগানে দবিরের লোকজন হাকিমকে মারধর করার সময় দেখে ফেলে আহাদুল। এতে সে বাঁধা দিলে দবিরের লোকজন আহাদুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে আহাদুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর সামসুল পরের দিন গোমস্তাপুর থানায় ১৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর গোমস্তাপুর থানার ওসি ও এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাবর আলী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সাক্ষ্য প্রমাণাদি শেষে আজ দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক পাঁচজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং বাকি আটজনকে বেকসুর খালাস দেন।
সরকারি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকট জবদুল হক এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু।