মহিষ চোর সন্দেহে সাবেক মেম্বারকে মারধর

নাটোরনাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নে চার মাস আগে দু’টি মহিষ চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাবেক মেম্বার আবুল হোসেনকে অপহরণ ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার একথা জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আনছার আলী,মোজাহার আলী, জাহিদ হোসেন, রফিক, আলেক শেখ, রাসেল হোসেন ও এমদাদুল হক।

আবুল হোসেনের ছেলে আরিফুল ইসলাম জানান, প্রায় চার মাস আগে আনছার আলীর দু’টি মহিষ চুরি হয়। ওই মহিষ চুরির ঘটনায় তার বাবাকে সন্দেহ করে আনছাররা। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তার বাবা ধানাইদহ বাজারে গেলে সেখানে প্রকাশ্যে তার ওপর হামলা চালায় আসামিরা। তাকে অপহরণ করে নিয়ে মারধর করে।

খবর পেয়ে তিনি থানায় খবর দেওয়ার পাশাপাশি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহযোগিতা চান। পরে বড়াইগ্রাম থানার একদল পুলিশ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আবুল হোসেনকে উদ্ধার করে এবং ৭ জনকে আটক করে।

নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন জানান, কোনও প্রমাণ ছাড়াই শুধু সন্দেহের কারণে সাবেক মেম্বার আবুল হোসেনের মতো একজন বয়স্ক ও সম্মানিত মানুষের ওপর হামলা এবং মারধর করা জঘন্য অপরাধ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি  দাবি করেন তিনি।

বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিফার ডাক্তার ডলি রাণী জানান, আবুল হোসেনের দেহে মারধর ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার জানান, শনিবার সকালে আবুল ৯ জনের নামসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের পর আটককৃতদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এরপর তাদের আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।