রবিবার (২৬ আগস্ট) বিকালে এসআই তরিকুল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আহতরা তাকে জানিয়েছেন- এক পথচারীকে বাঁচাতে লেগুনা রাস্তার মাঝে আসে। আর ওই সময়ই বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই সময়ে কোনও চালক মোবাইলে কথা বলছিল— এমন তথ্য কোনও আহত, প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা স্থানীয়রা তাকে বলেননি।’
বনপাড়া পাটোয়ারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নূর সেল হোসেন বলেন,‘আমি লেগুনার যাত্রী ছিলাম। লেগুনাটি রাস্তার বামদিকে এক পথচারীকে সাইড দিতে গিয়ে রাস্তার মাঝখানে চলে যায়। এছাড়া ওই জায়গায় বামদিকে কিছুটা খানাখন্দ ছিল। রাস্তার মাঝে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা চ্যালেঞ্জার বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।’
এতে মোট ঘটনাস্থলে ১৩ জন ও পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই জনসহ মোট ১৫জন নিহত হন। আহত হন ২০-২৫ জন।
বাসটি পাবনা থেকে নাটোরের দিকে আসছিল। আর লেগুনাটি নাটোরের বনপাড়া থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল। শনিবার (২৫ আগস্ট) বিকালে নাটোরের লালপুর উপজেলার কদিমচিলান এলাকায় আসার পর দুর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী রাসেল জানান ,তিনি ওই সময় ঘটনাস্থল পার হচ্ছিলেন। অকস্মাৎ বিকট শব্দ শুনে তাকাতেই দুর্ঘটনাটি দেখতে পান। তিনি দাবি করেন, দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগে চ্যালেঞ্জার বাসটি একটি অটোরিকশাকে সাইড দিয়ে রাস্তার মাঝে ওঠে। এরপরই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এক প্রশ্নের জবাবে রাসেল জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। আর লেগুনাটি রাস্তার মাঝেই দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে থাকে।