চকরাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল আযম পদ্মায় ডুঙ্গাডুবি (টিনের তৈরি ছোট নৌকা) ও নিখোঁজের ব্যাপারে জানান, বারিক খাঁর বসত ভিটা পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়ে। তিনি ও প্রতিবেশী কামরুল শেখ ডুঙ্গাযোগে বিভিন্ন আসবাবপত্র নিরাপদ আশ্রয়ে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার বিকালে তারা দুজনেই ডুঙ্গাযোগে পারাপারের সময় নৌকায় পানি ওঠে নদীগর্ভে তলিয়ে যান। কামরুল শেখ সাঁতার কেটে বেঁচে গেলেও নিখোঁজ হন বারিক খাঁ। বুধবার সন্ধ্যার আগে ভাসমান অবস্থায় পদ্মা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন রেজা বলেন, ‘ডুঙ্গাডুবি ও নিখোঁজের খবর পেয়ে উদ্ধারের জন্য ডুবুরিদের খবর দেওয়া হয়েছিল। পরে ডুবুরি এসে পৌঁছানোর আগে তার লাশটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা লাশটি উদ্ধার করে। তিনি চকরাজাপুর গ্রামের মৃত ওয়াহেদ খাঁর ছেলে।’