রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম জানান, ‘জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এটি নিয়মিত অভিযানের একটি অংশ ছিল। তবে একটু বড় আকারে করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ওই এলাকার চারপাশ ঘিরে অভিযান শুরু করা হয়। সন্দেহভাজন বাড়িগুলোতে তল্লাশি করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক বা কোনও কিছু জব্দ করা হয়নি। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া জোনের উপ-কমিশনার আমীর জাফর। এ অভিযানে চন্দ্রিমা থানার ওসি হুমায়ুন কবির ছাড়াও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এরমধ্যে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ আতাউর হোসেনকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে। চন্দ্রিমা থানা পুলিশ হাসি বেগমকে (৩৫) ১০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। মতিহার থানা পুলিশ মুসলেমুল হক ওরফে শিমুলকে (৪৩) ২০ বোতল ফেন্সিডিলসহ এবং আলামিন হোসেনকে (২৭) ৩ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করে। কাটাখালি থানা পুলিশ আফরোজ আলীকে (৩২) ১৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে। বেলপুকুর থানা পুলিশ মন্টু প্রামাণিককে (৫০) এবং আজমতকে (২৫) ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। পবা থানা পুলিশ রানাকে (২৫) ১০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ মুরাদ হোসেনকে (৩৫) ২ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেফতার করে। তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।