নিহত রাফি দিঘাপতিয়া বাজার এলাকার রজব আলীর ছেলে এবং রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, বুধবার বিকালে বন্ধুদের কাছে টাকা ধার নিয়ে রাফি একটি স্মার্টওয়াচ কিনে। স্মার্টওয়াচের টাকা চাইলে রজব আলী দিতে চাননি। এ নিয়ে রাফি রাগারাগি করতে থাকে। রাত ১২টার দিকে রজব আলীর সঙ্গে একই রুমে শুয়ে থাকে রাফি। এক পর্যায়ে রজব আলী বাইরে গেলে ঘরে দরজায় সিটকি আটকে দেয় রাফি। এসময় ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মায়ের ওড়না পেচিয়ে সে আত্মহত্যা করে। রজব আলী বাইরে থেকে ফিরে এসে দরজা আটকানো দেখে ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে রাফির ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়।
নিহতের পিতা রজব আলী জানান, এসএসসি পরীক্ষা পাস করার পর থেকে রাফি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এলাকার খারাপ ছেলেদের সাথে সে মেলামেশা করতে থাকে। রাফিকে ভালো করার জন্য তিনি যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে ভর্তি করলেও এক সেমিস্টার পড়ার পর সে বাড়ি চলে আসে। এরপর থেকে সে আবারও এলাকার খারাপ ছেলেদের সাথে মিশতে থাকে। পরে তাকে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে ভর্তি করা হয়।শনিবার সকালে রাজশাহীর একটি ছাত্রাবাসে তার চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু বুধবার রাত ১২টার দিকে নিজ ঘরে গলায় মায়ের ওড়না পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করে।
সদর থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।