দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- সরকারি চাকরিতে বিনা শর্তে ৫% কোটা সংরক্ষণ, সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত চাকরির প্রিলি পরীক্ষা থেকে প্রতিবন্ধী কোটা কার্যকর, সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণি পর্যায়ে তরুণ প্রতিবন্ধীদের ম্যধ থেকে প্রতিনিধি রাখা, প্রতিবন্ধী মন্ত্রণালয়, জাতীয় প্রতিবন্ধী অধিদফতর করা, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা শিথিল করা।
আন্দোলনের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি প্রতিবন্ধী রয়েছে। এ বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর আগে আমাদের জন্য মাত্র ১% কোটা ছিল, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য। সেটাও আবার তুলে দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে আমরা ৫ % কোটা দাবি জানাচ্ছি।’ আগামীকালের মধ্যে এ দাবি মেনে নেওয়া না হলে অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, একই দাবিতে শনিবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা।