অভিযোগ সূত্র ও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ভোমরকুটি মৌজার ওই রাস্তাটি ১৯৩০ সালের সিএস নকশায় উল্লেখ আছে। রাস্তাটি ভোমরকুটি উত্তরপাড়া মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে পণ্ডিতপাড়ার মধ্যে দিয়ে নবনুর হাফেজিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত গেছে। গ্রামবাসী প্রায় ১০০ বছর ধরে রাস্তাটি ব্যবহার করে আসছেন। খোট্টাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪-৫ বার মাটি কেটে রাস্তাটি সংস্কারও করা হয়েছে। তবে গত ১২ অক্টোবর একই গ্রামের ওসমান গণি রাস্তাটি কেটে কৃষি জমিতে পরিণত করেন। এমনকি বাঁশের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে এলাকাবাসী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে তারা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলাচল করছেন।
অভিযুক্ত ওসমান গণি ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, রাস্তাটি আগে সিএস নক্শায় উল্লেখ ছিল, এখন আর নেই। এছাড়াও অভিযোগকারী শাহানা খাতুন তাদের এক শতক জমি দখল করে রেখেছেন বলে জানান ওসমান গণি।
খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-ফারুক জানান, রাস্তাটি এখন আর সরকারি নেই। এছাড়া বাদী-বিবাদীদের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। আর এ করণেই বিষয়টি নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়ারা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।