দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণ শেষে বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) দলটি আরএমপি পুলিশ লাইন্সে মহড়ায় অংশ নেয়। মহড়া শেষে দলের সদস্যদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন আরএমপি কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার। এ সময় আরএমপির উপ-কমিশনার আমির জাফর, মুহাম্মদ সাইফুলসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সনদ বিতরণ শেষে আরএমপি কমিশনার সিআরটি গঠন ও এর কার্যাবলি তুলে ধরে প্রেসব্রিফিং করেন। তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজনে বিশেষ এই বাহিনী গঠন করা হলো। এরা শুধু বিশেষ প্রয়োজনে অপারেশনে অংশ নেবে। মূলত জঙ্গি দমন, জিম্মি উদ্ধার ও মাদকবিরোধী বড় অভিযানে এই দল কাজ করবে। শুধু রাজশাহী মহানগর নয়, পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশনা মোতাবেক দেশের যেকোনও স্থানে অভিযান চালাতে প্রস্তুত আরএমপির এই বিশেষ দল।
বর্তমানে সিআরটির সদস্য সংখ্যা ২৩ জন। এদের নেতৃত্বে আছেন আরএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুর রশিদ। এছাড়া দলে আছেন দুজন সিনিয়র সহকারী কমিশনার, দুজন পরিদর্শক, পাঁচজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক, দুজন নায়েক এবং ১০ জন চৌকস কনস্টেবল। দলের সদস্যরা গত ৮ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত একমাস জর্ডানে ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার থেকে উন্নত প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এটিএ তাদের তত্ত্বাবধান করেছে। প্রয়োজনে সিআরটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন আরএমপি কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার।
উল্লেখ্য, জঙ্গিবাদ দমন ও বড় ধরনের সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে ডিএমপি, সিএমপি ও এসএমপি'তে সিআরটি গঠন করা হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চলের জঙ্গিবাদ দমন, সন্ত্রাস দমন, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধসহ বড় ধরনের সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ টিম সোয়াটের আদলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) গঠন করা হয়েছে।