বগুড়ার গাবতলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত

বগুড়াবগুড়ার গাবতলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাত, ছুটি না নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে সভাপতির কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

কলেজের গভর্নিং বর্ডির সভাপতি গাবতলী পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, আমজাদ হোসেন অধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও ছুটি না নিয়ে গত ১৯ জুলাই থেকে অনুপস্থিত। গত তিন শিক্ষাবর্ষে ছাত্রী ভর্তি ফি, ফরম পূরণ ফি, সেশন ফি, টিউশন ফি এবং শিক্ষকদের অনুদানের অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন খাতের ৩৫ লাখ টাকা নিলেও তা কলেজের ব্যাংক হিসাবে জমা করেননি। যা চাকরি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধ। এছাড়া তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাজে বাধা সৃষ্টি করে শৃঙ্খলাভঙ্গ করায় গত ৪ আগস্ট ও ২৫ অক্টোবরের সভায় সিদ্ধান্ত অনুসারে তাকে (অধ্যক্ষ) তিন দফা জবাব দিতে নোটিশ করা হয়। তিনি নোটিশ গ্রহণ ও উত্তর না দেওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ছুটি না নিয়ে অনুপস্থিত থাকায় কেন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না চিঠি পাবার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তা লিখিতভাবে উত্তর দিতে বলা হয়েছে।

তবে গাবতলী মহিলা কলেজের সাময়িক বরখাস্ত অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যা কিছু করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ অন্যায়-অবিচার।’

মহিলা কলেজের সভাপতি ও গাবতলী পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর অনুলিপি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা-আইসিটি), গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে।