ইফতেখায়ের আলম আরও জানান, সমাবেশের জন্য ঐক্যফ্রন্টের প্রথম পছন্দ ছিল নগরীর মাদ্রাসা ময়দান। বিকল্প হিসেবে তারা সাহেববাজার, গণকপাড়া ও মনিচত্বর এলাকার নাম লিখেছিল। সে অনুযায়ী মাদ্রাসা ময়দানে সমাবেশ করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির দফতর সম্পাদক ও মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ডিকেন বলেন, ‘বুধবার বিকাল ৪টায় আমরা অনুমতি পেয়েছি। এরপর থেকে প্রস্তুতি ব্যাপকভাবে শুরু করে দিয়েছি। শুরু হয়ে গেছে পোস্টার ছাপানোর কাজ। অনেক এলাকায় পোস্টার সাঁটানোও শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে মাইকিং চলছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হক ডিকেন বলেন, ‘আমাদের মহানগর পুলিশ থেকে কোনও শর্ত দেয়নি। তবে সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশ করতে বলেছে। যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়। ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় এবং বিভাগের নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেবেন। সমাবেশ সফল হবে বলেই মনে করছি।’
রাজশাহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, ‘বুধবার বিকালে অনুমতি পাওয়ার খবর পেয়ে নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে জেলার একটি প্রস্তুতি সভা করেছি। বৃহস্পতিবার জেলার প্রতিটি উপজেলায় প্রস্তুতি সভা করে সমাবেশে ব্যাপক সমাগমের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩০ হাজার মানুষ সমাবেশে যোগ দেবেন। এছাড়া অ্যাডভোকেট কামরুল মনিরকে আহ্বায়ক ও তোফাজ্জল হোসেন তপুকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা ঐক্য ফ্রন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
এদিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা করেছে রাজশাহী মহানগর বিএনপি।