বগুড়ায় বিএনপির অর্ধশত নেতাকর্মী গ্রেফতারের অভিযোগ

বগুড়ামঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) রাতে বগুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা যুবদল ও ছাত্রদল। বুধবার সন্ধ্যায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠন দুটির পৃথক বিবৃতিতে ‘গণগ্রেফতার’ এ আটক নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। তবে বগুড়ায় কোনও গণগ্রেফতার নেই দাবি করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলার কয়েকজন আসামি আটক করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জিয়াউল ইসলাম আপেল বলেন, বিরোধী দমন নীতির অংশ হিসেবে সরকার পুলিশ দিয়ে জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শহর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: সাইফুল ইসলাম রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাফরুল আলম জিতু, কাহালু উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জিল্লুর রহমান, সহ-বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহেদ, শেরপুর পৌর যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পি, আবদুল হাকিম, জেলা যুবদল সদস্য আবু তাহের, এরুলিয়া ইউপি যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শিপন, জুয়েল, নাহারুল, পিয়ার হোসেন, সাজেদুর রহমান চাঁদসহ অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একে গণগ্রেফতার আখ্যা দিয়ে তিনি অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেন।

অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মিল্লাত হোসেন বিবৃতিতে জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হক নয়ন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, শেরপুর উপজেলা ছাত্রনেতা আবু তাহের, জিন্নাহ, আসিফ, আল-আমিন, সুমন, রাকিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় বিরোধী দমননীতির অংশ হিসেবে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে নেতাকর্মীদের জেলে পাঠাচ্ছে।

যুবদল ও ছাত্রদলের অভিযোগ প্রসঙ্গে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, কোনও  গণগ্রেফতারের ঘটনা ঘটেনি। যে ২-৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন তারা নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি।