বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি একক কোনও সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। আমরা বসে তারা কী প্রস্তাব দিয়েছে, কী ধরনের দাবি দিয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করবো।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটের মাঠ সমতল থাকবে। নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে যত কিছুই করুক না কেন একটি পক্ষ বলবেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। আমরা আইনের দ্বারা প্রত্যেকটি যোগ্য ভোটারকে লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করেছি। যারা প্রার্থী হওয়ার যোগ্য তাদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি।’
ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে স্বল্প পরিসরে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। ইভিএম মেশিন পরিচালনা করবে সেনাবাহিনী। এ মেশিনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছ থেকে ভোটগ্রহণ থেকে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবে সেনাবাহিনী। কোনও কারণে ইভিএম মেশিনের ক্রুটি দেখা দিলে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ও সিগন্যাগ বিভাগের সেনা সদস্যরা কাজ করবেন।’
ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘ইভিএম ব্যবহার করলে আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যয় কমে আসবে। প্রথমদিকে ইভিএম কেনার জন্য একটি বড় অংকের টাকা ব্যয় হচ্ছে, কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনে এর ব্যয় একেবারেই কম হবে।’ ইভিএমে ভোটারদের আস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আস্থা তৈরি করতেই স্বল্প পরিসরে এর ব্যবহার শুরু হচ্ছে। ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি হবে। ভারতের জনগণের ইভিএমের প্রতি বিশ্বাস আনতে ১৫ বছর সময় লেগেছে। আমরা খুব স্বল্প সময়ে ভোটারদের বোঝাতে পারবো এটি একটি স্বচ্ছ ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া।’