ভোটকেন্দ্র রক্ষিত থাকলে ২০০ এর বেশি আসন পাবে বিএনপি: মিনু

বক্তব্য রাখছেন মিজানুর রহমান মিনু (ছবি– প্রতিনিধি)

রাজশাহী-২ সদর আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় সমন্বয়ক মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘নদীতে বাঁধ দিয়ে যেমন পানি রোধ করা যায় না, তেমনি বিএনপিকে বাধা দিয়েও গণজোয়ার রোধ করা কোনোদিন যায়নি এবং ভবিষ্যতে যাবে না। এই নির্বাচন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র রক্ষার নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয় নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র কঠোরভাবে পাহারা দিতে হবে। ভোটকেন্দ্র রক্ষিত থাকলে ২০০ এর বেশি আসন পাবে বিএনপি।’

শনিবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী নগরীর কাদিরগঞ্জের একটি কমিউিনিটি সেন্টারে বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, ‘বিশেষ এলাকার কিছু অতি উৎসাহী পুলিশ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে পুলিশকে ভয় করে নির্বাচনি মাঠ ছেড়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না।’ প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে নির্বাচনি কমিটি গঠন করার আহ্বানও জানান মিনু। সেইসঙ্গে তিনি নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব থানা এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার নির্দেশনা দেন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির এ আয়োজনে নগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন– মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সহিদুন্নাহার কাজী হেনা, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের (সাদা দল) সভাপতি প্রফেসর এনামুল হক ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মুক্তা।

রাজশাহী-৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘নির্বাচনে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে যিনি ধানের শীষের প্রতীক পাবেন, তার হয়ে নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। একইসাথে কারও প্রচারের ফাঁদে পা না দিয়ে, কোনও ধরনের কোন্দল না গিয়ে এবং দলাদলি না করে একতাবদ্ধভাবে নির্বাচনে কাজ করতে হবে।’

মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা উপলদ্ধি করে নেতাকর্মীদের সব দ্বিধা ভুলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হলে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে। এই যুদ্ধে জীবনবাজী রেখে নেতাকর্মীদের রাজপথে থাকতে হবে।’