নগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদের সামনে থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় শুরুর আগে বাদশা সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ। রাজশাহী সদর এখন নৌকার ঘাঁটি। এ আসনে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের মদদদাতা-পৃষ্ঠপোষকদের মানুষ প্রত্যাখান করবে। উন্নয়নের প্রতীক নৌকা বিজয়ী হবে।’
বাদশা বলেন, ‘রাজশাহীতে ১০ বছর আগে সন্ত্রাসের প্রবণতা ছিল। কারা সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটিয়েছিলেন তা সাধারণ মানুষ জানেন। আমরা ১০ বছরে সন্ত্রাসের প্রবণতা কমিয়ে রাজশাহীতে শান্তি ফিরিয়ে এনেছি। এখন সন্ত্রাস নেই। তারপরেও যারা জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন। তাদের নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিহত করবে।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা শেষ করে রাজশাহী ১৪ দলের সমন্বয়ক, সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ অন্য নেতারা নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট ও আরডিএ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কুশল বিনিময় করেন সাধারণ মানুষের সঙ্গেও।
রাজশাহী সদর আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত টানা দু’বারের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের রক্তের নেশা এখনও কাটেনি। সুযোগ পেলেই তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায়। তাই তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। কোনোভাবেই তাদের ক্ষমতায় আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আমরা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকার জয় নিশ্চিত করবো।’