জানা যায়, গত (৩ ডিসেম্বর) সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খান ও জাসদ থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী সুলতান মাহমুদ খানের সমর্থিত দুগ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। তাতে সুলতানের বাবা মহসীন খান লস্কর (৬৮) ও প্রতিবেশী আব্দুল মালেক (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আহত হন কমপক্ষে ১০ জন।
নিহত মহসীন খান লস্করের ছেলে সুলতান মাহমুদ খানের অভিযোগ— হামলাকারীরা তার বাবা ও প্রতিবেশীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার পর, তাদের বাড়িতে ব্যাপক লুটতরাজ করেছে। এ সময় হামলাকারীরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
অভিযোগে জানা যায়, এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ খান, আব্দুল কাদের মাস্টারসহ ৫১ জনের নামের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হক বলেন, ‘অভিযোগ হাতে পেয়েছি। এখন যাচাই বাছাই কাজ চলছে। যাচাই বাছাই কাজ শেষ হলে রাতেই মামলাটি দায়ের করা হবে।’