সিটি নির্বাচনের মতো রাজশাহী সদর আসনেও নৌকার বিজয় হবে: মেয়র লিটন

থানা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনরাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘২০১৩ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মানুষ যে ভুল করেছিল, ২০১৮ সালে এসে সেটি করেননি। আর করবে বলে মনে করি না। ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করেছে। সিটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ সদর আসনে মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বিজয়ী হবে আশা করছি।’

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ডা. কাইছার রহমান চৌধুরী মিলনায়তনে ১৪ দলের থানা পর্যায়ের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৪ দল রাজশাহীর সমন্বয়ক ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতায় আসবেন। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে একজন কংগ্রেসম্যান একটি বিল উত্থাপিত করেছেন, এদেশে যারা ষড়যন্ত্র করে, জ্বালাও পোড়াও করে তাদের বিরুদ্ধে। এর কারণে আমাদের সাহস আরও বেড়ে গেছে। আমরা বুঝতে পেরেছি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীনসহ বড় বড় দেশ বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, আর উন্নয়নের পক্ষে।’

সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমি ও বাদশা ভাই দুইজন মিলে রাজশাহীর উন্নয়ন করবো। যতদিন সুস্থ আছি, দাঁড়িয়ে থাকতে পারবো, ততদিন পর্যন্ত রাজশাহীর উন্নয়ন করে যাব। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর আসনে যদি নৌকা ছাড়া অন্য কেউ বিজয়ী হয়, তবে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। আসুন আমরা সবাই একজোট হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করি।’

বর্তমান সাংসদ ও রাজশাহী-২ আসনের মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হবো। কেউ যদি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করো, তাহলে তা প্রতিহত করা হবে। আমি ও মেয়র লিটন দুই ভাইয়ের মতো আগামীতে একসঙ্গে কাজ করবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ড. কামাল বলেন বঙ্গবন্ধু তার নেতা। অথচ তিনি আছেন জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে। ড. কামাল বঙ্গবন্ধুকে নেতা বলে নিজেকে আত্মরক্ষা করছেন, অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।’ 

১৪ দলের থানা পর্যায়ের বর্ধিত সভার সঞ্চালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। এ সময় সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশার স্ত্রী অধ্যাপক তসলিমা খাতুন, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ ও ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রজব আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, মোহাম্মদ আলী কামাল, নিঘাত পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, রেজাউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, অ্যাড আসলাম সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, মহানগর ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামাণিক দেবু, জাসদের রাজশাহীর সভাপতি মজিবুল হক বকুল, বাংলাদেশ জাসদের মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিকসহ ১৪ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।