রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) পাবনার বেড়া পৌর সদরে নিজের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
আবু সাইয়িদ বলেন, ‘যাদের প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগ করে। দলীয় ক্যাডার ও নৌকার প্রার্থী টুকুর আত্মীয়-স্বজন। মোট কথা প্রিজাইডিং অফিসার দিয়ে ভোট কারচুপির অপচেষ্টা চলছে।’
তার অভিযোগ, এখন পর্যন্ত একটাও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। কোনও সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়নি। হামলা, ভাঙচুরের বিষয়ে প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। হামলার সঙ্গে জড়িত একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী রাতদিন নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চললেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
তিনি বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ভুয়া নির্বাচনি অফিস বানিয়ে নিজেরাই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধানের শীষের কর্মী সমর্থকদের ওপর দায় চাপাচ্ছে। পুলিশ সব জেনেও চোখ বুজে আছে। সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ পুলিশকে অভিযোগ দিলেও কোনও একটিরও তদন্ত হয়নি। তার দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে টুকু ১০ ভাগ ভোটও পাবেন না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেন, ‘উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্ত এবং ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্ত চলছে। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নিশ্চিত পরাজয় জেনে নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ও বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন।’ তিনি গণফোরামে যোগ দিয়ে তথাকথিত ঐক্যফ্রন্টর প্রার্থী হিসেবে জামায়াতকে ল্যাং মেরে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন। জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাকে বয়কট করবে বলে দাবি করেন টুকু।