এ প্রসঙ্গে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই।
আলতাফ আলী বলেন, ‘আমি জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আর মহাজোট প্রার্থী। তাই আমাকে উপজেলা পর্যায়ের কোনও নেতা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে পারে না।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে গাবতলী উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী রতন জানান, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা অনেক পরিশ্রম করে আলতাফ আলীকে নির্বাচিত করা হয়। এরপর থেকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখেননি। দলীয় সভা-সমাবেশে অংশ নেননি। তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে অসদাচারণ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় পার্টি করি না।তাদের ভোট আমার লাগবে না। তোরা কোনোদিন আমার কাছে আসবি না। দলীয় হাইকমান্ডের কাছে বারবার অনুরোধ সত্বেও এবারের নির্বাচনে তাকে প্রার্থী করা হয়েছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা হতবাক হলেও আলতাফ আলী নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।’
গোলাম রব্বানী রতন আরও বলেন, এমপি আলতাফ আলী গত ৫ বছরে অনেক অপকর্ম করেছেন। দুর্ব্যবহার ছাড়াও টিআর, কাবিখার বরাদ্দ লুটপাট, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির ডিও লেটার প্রদান, রাস্তা ও স্কুল-কলেজের ভবন করে দেওয়ার নামে টাকা আদায় করেন। দুর্নীতি পরায়ন এ প্রার্থীর জন্য ভোটারদের কাছে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস আরা খানকে (ডাব মার্কা) সমর্থন করা হলো।