ফজলে হোসেন বাদশা জানান, গত দুই মেয়াদে তিনি রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য আছেন। আরেকবার নির্বাচিত হলেন। এখন তিনি তার চলমান ও অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করতে চান। এগুলোই হবে তার প্রথম পদক্ষেপ।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা তরুণ সমাজের প্রযুক্তিগত মেধাকে কাজে লাগাতে চাই। রাজশাহী শহরে কমপক্ষে এক লাখ বেকারের কর্মসংস্থান করতে চাই। আমাকে ঘিরে রাজশাহীবাসী যে স্বপ্ন দেখেছেন তার প্রতিটি পূরণ করবো। তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমি বাস্তবায়ন করবো। রাজশাহীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আদর্শের ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তুলবো। এই শহরে মৌলবাদীদের কোনও স্থান হবে না।’
রাজশাহী সদরে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার যিনি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, তার জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততা রয়েছে। এই আসন থেকে আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মৌলবাদী জঙ্গিগোষ্ঠী মাঠে নেমেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের প্রত্যাখান করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটেছে।’
বাদশা বলেন, ‘বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে আমি ২০০২ সালে সিটি নির্বাচনে এবং ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনে লড়েছিলাম। সিটি নির্বাচনে ফল পাল্টিয়ে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিল তৎকালীন বিএনপি সরকার; ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আমি বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে। এই নির্বাচনে এটা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে রাজশাহীর মানুষ মিজানুরকে চান না।’
এর আগে তিনি নগরীর মহিষবাথান কবরস্থানে নিজ বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধি জিয়ারত করেন এবং ফুল দেন। এসময় ফজলে হোসেন বাদশার সঙ্গে ছিলেন- তার সহধর্মিনী অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, মেয়ে ফাইজা নুজহাত জয়ী, নগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক দেবু, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম সরকার, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন প্রমুখ।