তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ওই মহিলা ও পুরুষ দুজনই খারাপ। অসামাজিক কাজের সময় জনগণ তাদের আটক করে থানায় দিয়েছিল। তাদের দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় আদালতে চালান দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ওই নারী পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শেরপুর উপজেলার উত্তর কুসুম্বী গ্রামের ওই নারী জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই কুসুম্বী ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের খয়বর হোসেনের ছেলে ইউসুফ আলী তাকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। দাম্পত্য কলহে তিন মাস আগে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় তার। এরপর থেকে তিনি মায়ের বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩১ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ইউসুফ আলী তার ঘরে প্রবেশ করে। এরপর ইউসুফ তাকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় তার চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দুজনকে আটক করে। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ওই নারীর অভিযোগ, পুলিশ তার কোনও কথা না শুনেই সাধারণ ধারায় তাদের আদালতে চালান দেয়।