লিখিত বক্তব্যে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার চকসেকেন্দার গ্রামের মৃত মনি চন্দ্র শীলের ছেলে কুসু চন্দ্র শীল বলেছেন, বিজিবি থেকে চাকরিচ্যুত তার ভাই নব কুমার সুমন ওরফে সূর্য আগে বাড়িতে এসে বাবা, মা ও তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। ২০১৪ সালের ২৩ জুন সকাল ৯টার দিকে বাবা মনি চন্দ্র শীলকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে সে। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন। তখন সূর্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেননি। এরপরও সূর্য পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে গেছে।
কুসু চন্দ্র শীল আরও বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ১২ মে রাত ১০টার দিকে সূর্য বাড়িতে আসে। মুখে দাঁড়ি থাকায় প্রথমে তাকে চেনা সম্ভব হয়নি। পরিবারের সদস্যদের ডেকে সূর্য জানায়, সে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথভাবে গঠিত নিউ চরমপন্থী নামে একটি সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক। সকলকে ওই সংগঠনে যোগদানের বিনিময়ে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয় সে। পরিবারের সবাই তার ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বলে, সে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের’ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি। তাই সবার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করবে। পরবর্তীতে সূর্য তার কাকা ও জ্যাঠাতো ভাইদের বিরুদ্ধে গাবতলী থানায় জিডি করে, যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। সূর্য এ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা করেছে।
গ্রামে মুসলমান-হিন্দু সকলের শান্তিতে বসবাসের স্বার্থে তার ভাই সূর্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বগুড়ার ডিসি, এসপিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কুসু চন্দ্র শীল। সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত শীল, লক্ষণ চন্দ্র শীলসহ তার অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।