বগুড়ার ধুনটের এলাঙ্গী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ তারেক হেলালকে হত্যা চেষ্টা মামলায় ১৪ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন পৃথক আদালত।
এ খবর নিশ্চিত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজ্জাকুল কবির বিদ্যুৎ জানান, মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের বেঞ্চ ১৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে ধুনট উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বনি আমিন মিন্টু, তার ভাই উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু, ভাগিনা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম রনিও রয়েছেন। অন্যদিকে, বগুড়ার একটি আদালত এ মামলায় গ্রেফতার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামকে জামিন দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুনট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই খোকন। উপজেলা আওয়ামী লীগ তার মনোনয়নপত্র দাখিল উপলক্ষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কর্মিসভার আয়োজন করে। এতে অংশ নিতে এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এমএ তারেক হেলাল নেতাকর্মী নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে তার সঙ্গে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বনি আমিন মিন্টুর বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে মিন্টু গ্রুপ ও হেলাল গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল ও যুবলীগ নেতা মিন্টুসহ উভয় গ্রুপের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
সূত্র আরও জানায়, এ ঘটনায় আহত ইউপি চেয়ারম্যান এমএ তারেক হেলালের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসী গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ধুনট থানায় শফিকুল ইসলাম, বনি আমিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু, মাইদুল ইসলাম রনিসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার বিকালে ধুনট থানার ওসি (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান হেলালকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিদের জামিনের কোনও কাগজ হাতে পাননি।