স্থানীয়রা জানান, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরুল হোসেন তালুকদারের নির্বাচনি সভা করছিলেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও বিদ্রোহী প্রার্থী শোভন সরকার তার বড় ভাই সুমন সরকারসহ কর্মীসমর্থকদের নিয়ে ওই সভায় হামলা চালায়। পাল্টাপারল্টি সংঘর্ষ বাধলে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। রায়গঞ্জ থানা পুলিশ ৯ রাউন্ট টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরুল হোসেন তালুকদার রায়গঞ্জ থানায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী শোভন সরকার ও তার কর্মীসমর্থকদের ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরুল হোসেন তালুকদার বলেন, আমার নির্বাচনি প্রচারণা ও কর্মী সভায় শোভন সরকার ও তার দু’সহোদর সুমন সরকার ও সুজন সরকারের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন দেশীয় ও আগ্নেয় অস্ত্র হাতে নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল খান, অ্যাডভোকেট বিমল কুমার দাস ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিনসহ অন্য জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাদি আলমাজি জিন্নাহ ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল আলম বলেন, বিষয়টি ন্যাক্কারজনক।
রায়গঞ্জ থানার ওসি পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।’