তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এস আই আবদুর রহিম জানান, যৌতুকের কারণে স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমিকে মারধরের অভিযোগে শ্বশুর সাইফুল ইসলাম বুধবার দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এর আগে হিরো আলম তার স্ত্রী ও শ্বশুরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তাকে মারধর ও বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হওয়ায় বুধবার রাতে দু’পক্ষকে থানায় ডাকা হয়। সমঝোতা না হওয়ায় শ্বশুরের অভিযোগে রাতেই হিরো আলমকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। হিরো আলম আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন। বিকালে শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ জানান, হিরো আলম আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করলে তিনি এর বিরোধিতা করেন। আদালতের নির্দেশে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।