পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, গত নির্বাচনে জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি ও সরেজমিন খোঁজখবর নিয়ে ১২৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪৮৫টি। মান্দা ও রাণীনগর উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি। এ দু’টি উপজেলায় ১৫টি করে কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া নিয়ামতপুর, বদলগাছী ও পত্নীতলায় ১৩টি, ধামইরহাট ও আত্রাইয়ে ১২টি এবং মহাদেবপুর, পোরশা ও সাপাহারে ১০টি করে কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রশাসন।
প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ও একজন পুলিশ সদস্য থাকবে। সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে একজন এএসআই ও একজন পুলিশ সদস্য থাকবে।
এছাড়াও ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্য মোবাইল ডিউটি (ভ্রাম্যমাণ দায়িত্ব) পালন করবে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার শাহিনুর ইসলাম প্রামানিক বলেন, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁর ১১টি উপজেলার মধ্যে ১০টি উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নওগাঁ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা চেয়ারম্যান পদে একজন করে প্রার্থী থাকায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে না। অন্য ১০টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।