সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুরে বিচারক নজরুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গণ্য করতে তাৎক্ষণিক চৌহালী থানার ওসিকে আদেশ দেন।
উমরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন মণ্ডল ছাড়াও মামলায় ইউপি সদস্য আরফান আলী ও হেলাল উদ্দিন লালন অভিযুক্ত হন। বাদীর আইনজীবী অ্যাড.আব্দুর রউফ পান্না (এপিপি) মামলা ও আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত, ভিজিডি কার্ডের কারসাজি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার দুপুরে ভিকটিমকে প্রকাশ্যে মারধর করে কানের লতি ছিড়ে দেন। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে জেলা সদরের সরকারি হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।