নিহত নাহিদ শাজাহানপুর উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের নারিল্যা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং এবার ডেমাজানি সরকারি কমরউদ্দিন ইসলামিয়া কলেজ কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।
শাজাহানপুর থানার এসআই আবদুল কুদ্দুস ও অন্যরা জানান, শনিবার দুপুরে পরীক্ষা শেষে সহপাঠী জাহিরুল ইসলাম তোহাকে মোটরবাইকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নাহিদ। বেলা দেড়টার দিকে তারা উপজেলার দুরুলিয়া এলাকায় ইউনিব্রাদার্স পোলট্রি ফার্মের কাছে পৌঁছালে দু’জন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা নাহিদের কোমরের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
ছিলিমপুর (মেডিকেল) ফাঁড়ির এসআই আবদুল আজিজ মণ্ডল জানান, রক্তাক্ত নাহিদকে দুপুর সোয়া ২টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নিলে তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে এক দুর্বৃত্ত মোবাইল ফোনে নাহিদকে হুমকি দিয়েছিল। এ ব্যাপারে তার বাবা মতিউর রহমান খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল ফারুকের কাছে বিচার দিয়েছিলেন। বিচার হওয়ার আগেই দুর্বৃত্তরা নাহিদকে হত্যা করলো।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তাইল পূর্বপাড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।