নন্দীগ্রামের থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন ও অন্যরা জানান, উপজেলার পারশুন গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে গোলাম রব্বানী রকি এক মাস আগে পাশের আগাপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা খাতুনকে (১৫) বিয়ে করে। ১৫ দিন আগে ফারজানা তার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসে। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ড্রেনে ফারজানার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় তাদের বাড়ির দরজা তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। প্রতিবেশীরা নন্দীগ্রাম থানায় খবর দিলে, পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
নিহত ফারজানার বাবা আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রকি তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর, তার মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। বিয়ের সময় ২৫ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা হয়। তার বিশ্বাস যৌতুক না পেয়েই রকি তার মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ বাড়ির পাশে ড্রেনে ফেলে পালিয়ে যায়।’
কুমিড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘ফারজানা খাতুনের গলায় ও গালে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।’
নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবীর জানান, লাশ উদ্ধারের পর অভিযান চালিয়ে রকিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দাম্পত্য কলহের কারণে স্ত্রী ফারজানাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে ফারজানার বাবা থানায় রকির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।