সানজিদার বাড়ি জেলার লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের সালামপুর এলাকায়। তিনি নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। অপর চিকিৎসাধীন শামীমার বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলায়।
শামীমার ভাই কাউসার আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জ্যোতি ছাত্রী নিবাসে চুলা (স্টোভ) বিস্ফোরণে সানজিদা ও শামীমাসহ তিনজন দগ্ধ হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শামীমা ও সানজিদাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ’র বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পাঁচ দিন চিকিৎসার পর আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সানজিদার মৃত্যু হয়।