এর আগে নির্যাতনের শিকার ওই নারী শনিবার রাতে শিবগঞ্জ থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।
শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন,‘ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
পুলিশ জানায়, ওই নারী শুক্রবার রাতে সোনাতলা এলাকা থেকে তার মেজ ছেলের দেওয়া ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। শিবগঞ্জ উপজেলার বড়িয়াহাট থেকে তিনি একটি অটোরিকশা ভ্যানে ওঠেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওমর সানীর মোড়ে পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয় যুবক ভ্যানের গতি রোধ করে। এরপর দু’জন তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে পাশের একটি কলাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে যুবকরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাতেই শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনার মূল হোতা জিহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
তবে জিহাদ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলায় আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।