যমুনার পানি বৃদ্ধি, কাটা বাঁধ নিয়ে শঙ্কায় পাউবো

 রাস্তাটি উঁচু করার কাজ করছে সওজসিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধিও অব্যাহত রয়েছে। রবিবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। পানি বাড়ায় জেলার কাজিপুর, সদর ও চৌহালীর বেশ ক’টি স্থানে নদীতে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। এদিকে, সদর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ স্লুইচ গেট ও কাটা বাঁধ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন পাউবোর প্রকৌশলীরা। পানি স্লুইচ গেট উপচে লোকালয়ে ঢোকার আশঙ্কা করছেন তারা।

সেতু নির্মাণের জন্য এপ্রিলে স্লুইচ গেটের পাশে ৪০ মিটার রাস্তা কেটে যান চলাচলে বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করে সওজ।  বাঁধ কেটে সওজের বিকল্প রাস্তা নির্মাণের পর থেকেই শঙ্কায় রয়েছেন পাউবোর প্রকৌশলীরা। আর আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

বিকল্প রাস্তাটি (কাটা বাঁধটি) উচু করতে গত ৩ মাসে পাউবো সওজকে তিনটি সতর্কীকরণ চিঠি পাঠিয়েছে পাউবো। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। জেলা প্রশাসনও সওজকে কয়েক দফা তাগিদ দেয়। তবে দেরিতে হলে দিন কয়েক আগে কাজ শুরু করে সওজ।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রনজিত কুমার সরকার বলেন, ‘সওজ ও পাউবো দু’টি আলাদা প্রকৌশল বিভাগ। একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে রাস্তাঘাট নিয়ে,অন্যটি বাঁধ ও নদী তীর রক্ষায়। ৩ মাস আগে স্লুইচ গেটের পাশে সওজ যখন বিকল্প রাস্তার জন্য বাঁধ কাটাকাটি শুরু করে। তখন আমরা তাদের সতর্ক করলেও তারা কোনও কথা শোনেনি। জেলা প্রশাসনের তাগিদে কয়েক দিন আগে তারা কাটা বাঁধটি উঁচু করার কাজ করছে। যা আরও ৩ মাস আগেই করা উচিত ছিল। ’

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেরিতে হলেও সওজ কাজ শুরু করেছে, এটাই বড় কথা। স্লুইচ গেট উপচে পানি লোকালয়ে ঢুকলে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, এটা যদি ধারণায় থ্কাতো, তাহলে এমন কাজ করতো না সওজ।  পানি আসার আগে সওজের উচিত রাতদিন কাজ করে বিকল্প রাস্তাটি উঁচু করা।’

সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম পিকে বলেন, ‘ঠিকাদারকে বারবার তাগিদ দেওয়ার পর অবশেষে ক’দিন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি যমুনার পানির চাপ বাড়ার আগে বিকল্প রাস্তাটি উঁচু করা সম্ভব হবে।’