বগুড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও একজন হাসপাতালে ভর্তি

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও এক রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে এখানে চিকিৎসক, মেডিক্যাল স্টুডেন্ট, শিক্ষক ও বিভিন্ন পেশার তিন নারীসহ ২৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরা সবাই ঢাকা থেকে ডেঙ্গু জীবাণু বহন করে এনেছেন।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় শজিমেক হাসপাতালের দোতলায় ‘ডেঙ্গু ওয়ার্ড’ খোলা হয়েছে। মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বগুড়াসহ কয়েকটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন।

উচ্চপর্যায়ের ওই কমিটির অন্যরা হলেন−সদস্যসচিব মেডিসিন বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক আজমিরুল হক, সদস্য নিউরো মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুদ্দৌলা, সদস্য মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান আশরাফ, সদস্য একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল ইসলাম, সদস্য ডা. আবু বক্কর সিদ্দিক, সদস্য একজন নার্স প্রতিনিধি, সদস্য একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রতিনিধি, সদস্য একজন ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট এবং সমন্বয়ক শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার।

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার জানান, শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাত পর্যন্ত এখানে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন নারীসহ ২৮ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শনিবার নতুন করে একজন ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালের দোতলায় ‘ডেঙ্গু ওয়ার্ড’ খোলা হয়েছে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় ১০ সদস্যদের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন এবং দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স হয়েছে।

ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার জানান, আক্রান্তদের অধিকাংশই বগুড়ার বাসিন্দা হলেও এরা সবাই ঢাকা সফরে গিয়ে ডেঙ্গু জীবাণু বহন করে এনেছেন। এখন পর্যন্ত বগুড়ায় আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি। তিনি ডেঙ্গু থেকে রেহাই পেতে পৌর কর্তৃপক্ষ ও বগুড়াবাসীকে আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশারি টানিয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন।