ঈশ্বরদীর দুই ক্লাবে অভিযান, জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ আটক ১৪

 

পাবনাপাবনার ঈশ্বরদীতে দুটি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ১৪ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৪৩ হাজার ৭৯০ টাকা ও জুয়া খেলার সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর এলাকার সূর্ঘ সংঘ ও নতুন ক্লাবে এ অভিযান চালানো হয়।

আটকরা হলেন, বাঘইল ইপিজেড গেট এলাকার এসকেন্দার সরকারের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৩২), সাঁড়া গোপালপুর এলাকার আরশেদ মন্ডলের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৫), মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহম্মেদ (৩৫), আব্দুল হামিদ প্রামাণিকের ছেলে সেলিম প্রামাণিক (৪৫), ইউনুস প্রামাণিকের ছেলে সাহাবুল প্রামাণিক (৩৮), মৃত জামরুল সরদারের ছেলে তুফান সরদার (৪২), মৃত আব্দুল বারীর ছেলে আহসান হাবিব (৫২), ইয়াছিন আলী মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫২), মৃত মোকসেদ আলীর ছেলে তোজাম আলী (৫৫), নিজামুল আলমের ছেলে এনামুল আলম টিটু (৫০), মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে বজলুর রহমান (৫৩), মৃত জিয়ারত আলীর ছেলে নাছির উদ্দিন ফারুকী (৫০), সাঁড়া গোপালপুর নতুনপাড়া এলাকার মৃত তফিজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আলম প্রামাণিক (৫৩) ও মাঝদিয়া নতুনপাড়া এলাকার মৃত আফসার প্রামাণিকের ছেলে আতিয়ার রহমান (৫৫)।

ঈশ্বরদী থানার ওসি (তদন্ত) অরবিন্দ সরকার বলেন, আমরা এখনও নিশ্চিত নই যে, কারা এসব পরিচালনা করতো। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে। কারণ এতদিন আমরা এগুলোকে স্পোর্টিং ক্লাব বলেই জানতাম। ক্লাবের আড়ালে এমন কার্যক্রম চলছে বলে আমাদের ধারণা ছিল না।

ঈশ্ববরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী বলেন, সম্প্রতি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় থানা-পুলিশ। এ দুটি ক্লাবে বেশ কিছুদিন ধরে গভীর রাত পর্যন্ত জুয়া খেলা চলতো বলে অভিযোগ পেয়েছি। এতে অংশ নিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়েছেন। স্থানীয়দের এমন অভিযোগের কারণে অভিযান চালানো হয়। আমরা ১৪ জনকে আটক করেছি। এ সময় কয়েকজন পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।