রাজশাহীতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২৫ টাকা কমেছে

রাজশাহীর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রিরাজশাহীর বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে। এখন দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০-৭৫ ও ভারতের পেঁয়াজ ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) প্রশাসন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। পাইকারি বাজারে ভারতের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল সর্বোচ্চ ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা ও খুচরা বাজারে ৬০ টাকা। দেশি পেঁয়াজের দাম পাইকারি বাজারে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। এরপরও বাজারে তার প্রভাব পড়েনি। বুধবার (২ অক্টোবর) প্রশাসন ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং করে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়। পরে দর কমতে শুরু করে।

নগরীর মাস্টারপাড়ার পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা সাব্বির হোসেন জানান, নির্ধারিত যে মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বলা হয়েছে, সেই দরে বিক্রি করলে আমাদের তেমন লাভ হবে না। আমার কাছে দেশি পেঁয়াজ রয়েছে, এগুলো প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি করছি।

খুচরা বিক্রেতা আমজাদ সরদার বলেন, ‘ভারতের পেঁয়াজ শেষ। দেশি পেঁয়াজ বৃহস্পতিবার থেকে প্রতি কেজি ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি করছি। এর আগে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছিলাম।’

খুচরা বিক্রেতা ইয়াসিন আলী জানান, বুধবারের চেয়ে বৃহস্পতিবার বাজারে পেঁয়াজের দাম কম আছে। প্রশাসনের লোকজন মাঝে-মাঝে এসে দাম জেনে যাচ্ছে। তারা কেজিতে এক থেকে দুই টাকা লাভ করতে বলছে। কিন্তু, এক মণ পেঁয়াজে কয়েক কেজি পচা থাকায় আমাদের ঘাটতি দিতে হয়। তাই চার পাঁচ টাকা লাভ করতে হয়। ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৬৫ টাকা ও দেশি ৭৫ টাকা।

রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, ‘বুধবার রাজশাহীর পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিটিং করে নির্দেশনা দিয়েছি। সেই মোতাবেকে পরের দিন বৃহস্পতিবার থেকে আমরা কাজ করছি। তবে অতিরিক্ত লাভের আশা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য মনিটরিং করা হচ্ছে বাজার।’