তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘৯ অক্টোবর দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বহিরাগত ছেলেদের নিয়ে আসার অভিযোগ উঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে লিখিত জবাব দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষক এক্রাম উল্যাহর লিখিত জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেট সদস্য রুস্তম উদ্দীন আহমেদকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কবীর।’
সিন্ডিকেট সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহ’র বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। এতে কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্য তদন্ত কমিটি গঠনের বিরোধিতাও করেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক সিন্ডিকেট সদস্য বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থী তিন জন শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্য। তাদের আপত্তির পরেও সিন্ডিকেট তদন্ত কমিটি গঠন করে।’ তবে তারা মৌখিক বিরোধিতা করলেও নোট অব ডিসেন্ট বা লিখিতভাবে বিরোধিতা করেননি বলেও জানান এ সিন্ডিকেট সদস্য।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।