মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জেএমবি সদস্যরা হলো, জেলার নাচোল থানার চানপাড়া এলাকার মৃত এরশাদ আলী ছেলে সানোয়ার, গোমস্তাপুর উপজেলার বালুগ্রাম রাজারামপুর এলাকার মৃত কুদ্দুসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও একই উপজেলার বালুগ্রাম দক্ষিণটোলা এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুস শুকুর।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সদস্যরা হলো, গোমস্তাপুর উপজেলার বোগলা গোপালনগর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে সামসুল হক, একই উপজেলার চকপুস্তম এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও নিমতলা এলাকার মাহতাবের ছেলে শামীম এবং নঁওগা জেলার মান্দা থানার শিবনগর এলাকার ইয়াসিন আলীর ছেলে আব্দুল মোতাকাব্বির ওরফে ফাহিম।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিল। তাদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সানোয়ার পলাতক থাকায় আদালতে অনুপস্থিত ছিল।
অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী আঞ্জুমান আরা জানান, ‘জেএমবি’র অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের দ্বন্দ্বের জের ধরে ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে আসামিরা সালমানকে হত্যা করে। জেলার নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের খোলসি বোরিয়া গ্রামের একটি আমবাগানে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার মহানন্দা নদীর ধাইনগরঘাট এলাকায় মাটির নিচে পুঁতে রাখে। পরবর্তীতে পুলিশ আমবাগান থেকে সালমানের দেহ ও নদীর ঘাট থেকে তার মাথা উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নাচোল থানার এস আই আনিসুর বাদী হয়ে ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল অজ্ঞাতদের আসামি করে নাচোল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাচোল থানার এসআই শ্রী গৌতম চন্দ্র মালী ৭ জনকে আসামি করে ২০১৫ সালের ২৯ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন।