শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালি বাজারে পার্টির এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘একটা অবাক কাণ্ড দেখলাম। রাজশাহীতে যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন, তাদের নাম রাজাকারের তালিকায়। এ নিয়ে আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, প্রশাসনের ভেতর কি রাজাকার ঢুকে পড়েছে? প্রশ্নটা আমারও তাই।’
দেশে এখন ‘নব্য রাজাকার’ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে ২২টা পরিবার এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে টাকা পাঠিয়ে দিতো। আমরা তাদের রাজাকার বলতাম। এখন যারা বাংলাদেশের টাকা বিদেশে পাচার করছে তারা নব্য রাজাকার।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমিকরা বিদেশে কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশে পাঠায়। দেশ সমৃদ্ধ হয়। দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। আর কিছু নব্য রাজাকার দেশের টাকা পাচার করে। বিদেশে বাড়ি-গাড়ি করে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। টাকা পাচার, লুটপাট, অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আর শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে কাজ করতে হবে।’
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামাণিক দেবু, সম্পাদকম-লীর সদস্য এন্তাজুল হক বাবু, জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল হক তোতাসহ অনেকে।