দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান জানান, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ব্যবসায়ী ইউনুস আলী করদাতা। কর অঞ্চল বগুড়ার ১৫ সার্কেলে তার ফাইল আছে। তিনি ১৪/১৫ অর্থ বছরে কিছু সম্পত্তি বিক্রি করেন। ১৮/১৯ অর্থ বছরে আয়কর ফাইল থেকে বিক্রি করা জমি বাদ দিতে তিনি সহকারী কর কমিশনার অভিজিৎ কুমার দে’র কাছে যান। কিন্তু তিনি গত ৬ মাস ধরে ফাইলটি আটকে রেখে টালবাহানা করতে থাকেন।
একপর্যায়ে এ কাজের বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন অভিযিৎ। করদাতা ঝামেলা এড়াতে ২০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও কর কর্মকর্তা রাজি হননি। বাধ্য হয়ে ইউনুস আলী বিষয়টি দুদক কর্মকর্তাদের জানান।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া ট্যাক্সেস ল’ইয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘কর অঞ্চল বগুড়ার ১৫ সার্কেলের সহকারী কর কমিশনার অভিজিৎ কুমার দে কয়েকবার ঘুষ দাবি করলে তাকে সতর্ক করা হলেও সংশোধন হননি। সংগঠনের পক্ষে রেজুলেশন করে কর কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছিল।’
কর অঞ্চল বগুড়ার সদর দফতর (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্যকে (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) জানানো হয়েছে। শিগগিরই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।